প্রকৃতি

অতিরতি পীরিতি পরমনিধি তবু কেন ওষ্ঠের পিনাকবিদ্যুতে ঘর ভাঙ্গে বানভাসি লক্ষ্মীরঝাঁপি শরীর সত্য নয় কামনারশুখাফাটাজমি নিকষিত প্রেম নয় এ কোন শিলালিপি অবিরল বৃষ্টির ধারাগানে উদ্ভাস তোমার হে অগ্নিজ্বালা সহায় ও..

তবুও

তবুও বৃষ্টি পড়ে, ঝরে ঝরনা হয়ে কার তাতে কি তবুও আসা,আশা সাতসাবেকি রইলোটা কি তবুও শরিল,শরীর মাভৈ মাভৈ ভাতারখাকি তবুও উঠোন বসন অথৈ অথৈ আর কি বাকি অরিন্দমC @ 2015

এই আপদ কবে বিদায় হবে কে জানে !

(হোয়াটস্অ্যাপ ফ্যাক্টরির সৌজন্যে) ''আজ বেশ কিছু দিন ঘরে শুয়ে বসে আছি। বউ আসছে, যাচ্ছে আর বলছে- এই আপদ কবে বিদায় হবে কে জানে ! বুঝতে পারছি না,আমাকে বলছে,নাকি করোনা-কে ''

শক্তিশেল

মধ্যরাতে কলকাতা শাসন করি আমি উত্তর ও দক্ষিণে দিনান্ত ধূসরিত যৌবন অপেক্ষায় থাকে যে ছায়াসুনিবিড় আশ্রয় তার ধৌত অমলিন দিকচক্রবালে আমার পদচিন্হ আঁকা প্রেম নৈ:শব্দজালে পরকীয়া জীবনের পরমগতি মধ্যযামে কলকাতা..

আতঙ্কে নয়, সতর্কে থাকুন

চারিদিকে এক হিমশিম অবস্থা। এক সীমাহীন আতঙ্কের রাজত্ব। আপনি চান বা না চান গর্তে ঢুকে বসে থাকতে হবে। তাতেও কি রেহাই মিলছে ! অষ্টপ্রহর করোনা ভজনা চলছে - শুধু করোনা..

জীবন এখন

তোমরা যারা আমাকে হনন করো প্রতিদিন জেনে রেখো মেঘের অস্থিতে বাঁচে বৃষ্টির আশ্বাস মৃত্তিকা সন্ধান করে বীজ ভোরের আজান খোঁজে পাখির উড়াল সময় সচল জেনো হে মানব বিপণনকারি শব কীটভষ্ম..

মধ্যপদ

ভাল লাগে না কিছুই চল চলে যাই অনির্দেশে অনায়াস মাটি আকাশ সূর্যশিশিরকণা নিজস্ব যা কিছু আছে সব ত্যাগ করে চলে যাই চল হেম তপোবনে আহাহা মেয়েটি আমার বড়ই ছোটটি আরেকটু..